::::::::::::::::::::::::::::::::::Welcome Note:::::::::::::::::::::::::::

"সময়ের সিথানে স্বপ্ন নিয়ে প্রতিনিয়ত ঘুমিয়ে থাকি কিংবা দুঃস্বপ্ন নিয়ে জেগে উঠি। একটা সময় ছিল আমার তখন ফড়িং জীবন ছিল। এখন তা বাক্স বন্দী অতীত। ফড়িং এর রঙিন পাখা গুলো এখন বিবর্ণ। কথা গুলো অর্থহীন প্রলাপ ... আচ্ছা প্রলাপ তো অর্থহীন ই হয়, তাই না? কিন্তু আমার যে আর কিছুই নেই... কিছু কল্পনা মেঘের কাছে জমা রেখে ছিলাম... একদিন মেঘ আমাকে কিছু না বলেই উড়ে গেল...আকাশের শেষ প্রান্তে... আমি দিগন্তের পর দিগন্ত ছুটে গেছি... আমার কল্পনার খোঁজে ... না পাইনি... ও তখন বৃষ্টি হয়ে..পাহাড়ের সাথে সন্ধি করে.. সমুদ্রের হয়ে গেছে... আমার তখন আর কিছুই নেই... হয়ত কিছু থাকতে নেই... আমি অন্যের আশ্রয়ে বেঁচে আছি এখন... অন্যের রঙে বিবর্ণ ছবি দেখি... এই নিয়ে আমার এই সাজানো বাড়ী..."

লিপ্ত বাসিত লহনা

শব্দের ব্যঞ্জনা দিয়ে
ততোটুকুই ব্যথিত হৃদয়ের পদ্য লিখা যায়
প্রেমিকার বিবর্ণ ঠোঁটে
যতটুকু পরিতৃপ্তির স্বাদ পাওয়া যায়...
অভিধান থেকে বিক্ষিপ্ত কিছু বিষাদী শব্দ কুড়িয়ে
কাব্য রচনা করা যায় বটে...
প্রক্ষিপ্ত অতীত নিবৃত্ত ভাবে
অদৃশ্য লাইনে তথাপি আচর গেরে রয়
তা চাইলেই কি মুছে ফেলা যায়?
বিপ্রতিপন্ন স্বপ্ন দেখে
নগ্ন নয়ন নোনা জলে আচ্ছাদিত হয়ে
কেবল নিজেকে আড়ালে রাখার উৎসাহ পায় মাত্র
আবেগের দুষ্ট দুঃশাসনে যখন অতিষ্ঠ এই হৃদয়
তখনও শিশির ভেজা ঘাস ফুল আমায় নতুন স্বপ্ন দেখায়
সদৃশ কিছু অনুভূতি তখন একীভূত হয়ত হয়!!
তবুও লিপ্ত বাসিত লহনা অদৃষ্টের পরিহাসের পাত্র
অতঃপর আমি হয়েছি বিব্রত!!

পরির্বতিত প্রচ্ছদপট কিংবা নৈশব্দের মৃত্যু


অবশেষে সাদা ক্যানভাস সেই শোকার্ত রঙের ভাষা বুঝবার ক্ষমতা ক্রমেই হারিয়ে ফেলে।
যতই দিন গড়ায় ততই নতুন শিল্পীর তুলির আঁচড়ে একটু একটু করে রঙিন হতে থাকে সাদা ক্যানভাস।
নির্মম হয় দৃশ্য-লোক, পরির্বতিত প্রচ্ছদপট।


সঙ্গমের প্রথম সংস্করণের স্বত্বাধিকারী তখন নীরব পাঠক।


সাদা ক্যানভাস রঙিন হবার আগেই
হঠাত একদিন নৈশব্দের আকস্মিক মৃত্যু ঘটে,
তখন রাত্রির কোলাহলে শৃন্যতা জানাজা পড়ে

............একদিন বৃষ্টির দিন


পৃথিবীতে এমন কিছু সৌন্দয্য আছে যাকে দেখার পাশাপাশি অনুভব করতে হয়। বৃষ্টিকে আমি ঠিক সেই রকমই মনে করি। বিধাতা এর মাঝে এমন কিছু পরিচ্ছন্ন অলংকরন এঁকে দিয়েছেন, ভাল না লেগে উপায় নেই। অনেকটা দুঃশাহস নিয়ে আমি আমার প্রথম বৃষ্টিতে ভেঁজার কথা মনে করি, কিন্তু সেই স্মৃতি আমার নিউরনের কোন অজানা অসীম গহবরে হারিয়েছে তা আমার জানা নেই। তবুও বৃথা চেষ্টা করে যাই ভাবনা গুলোকে একটু উসকে দেবার জন্য। অসংখ্য নিউরন সেলের মধ্যে বৃষ্টি বন্দি কিছু সেল আমার চোখে এনে দেয় কিছু নির্মল ভেঁজা স্মৃতি। আমার সাড়া দেহ তখন কেমন যেন অদ্ভুদ অনুভবে আলোড়িত হতে থাকে।

এ্যালুমিনিয়ামের জানালার ওপাশে যখন আমার অনুভবের উপাদান গুলো আমার জন্য হাতছানি দেয় অবিরত... আমি তখন তাকিয়ে থাকি এপাশ হতে নিঃস্ফলক নয়নে । কংক্রিট এ বন্দী জীবনে কফির কাপে মৃদু চুমুক এর ফাঁকে এখনো হাত বাড়িয়ে ছুয়ে ইচ্ছে হয়, ওরা কি আগের মতই আছে। কতই না স্বার্থপরতা করেছি ওদের সাথে। যখন ইচ্ছের আকাশে ঘুড়ি হতে চেয়েছি তখন ওদের জড়িয়ে নিয়েছি আপন চিত্রে, আম্মুর বকুনির বিনিময়ে, স্কুল ফাঁকি দিয়েছি ওদের উপর দোষ চাপিয়ে, ইচ্ছে করে কত ছাতা হারিয়েছি ওদের অভিমানে, হাততলির কিছু ফিল্ডিং দিতে পেরেছি ইচ্ছৈ অনিইচ্ছেকৃত ভাবে আছাড় খেয়ে বৃষ্টি ভেজা মাঠে ।

সময় কেমন করে যেন সব পালটে দেয়, কিন্তু পালটাতে কি পারে  অনূভুতির দাবি?  হয়তো হ্যাঁ... কিংবা না !!

এসো এক্সপেরিমেন্ট করি


একটা নতুন কিছু করা দরকার,
সেফ একটা নতুন কিছু।

এসো এক্সপেরিমেন্ট করি !

কি রকম?
এই যেমন ধর
কোন ত্রিমাত্রিক অনুভবের
এক দ্বি মাত্রিক এক্সপেরিমেন্ট !!

এক্সপেরিমেন্ট !!!
হুমম এক্সপেরিমেন্ট !!

ঠিক স্পর্শ ও নয় !
ঠিক সঙ্গম ও নয় !

এর ঠিক মাঝামাঝি,
ত্রিমাত্রিক অনুভবের
এক দ্বি মাত্রিক এক্সপেরিমেন্ট  !

ফলাফল ?
এসো এক্সপেরিমেন্ট করে দেখি !

নিশ্চুপ গোধূলী ll Nischup Godhuli

নিশ্চুপ গোধূলী