::::::::::::::::::::::::::::::::::Welcome Note:::::::::::::::::::::::::::

"সময়ের সিথানে স্বপ্ন নিয়ে প্রতিনিয়ত ঘুমিয়ে থাকি কিংবা দুঃস্বপ্ন নিয়ে জেগে উঠি। একটা সময় ছিল আমার তখন ফড়িং জীবন ছিল। এখন তা বাক্স বন্দী অতীত। ফড়িং এর রঙিন পাখা গুলো এখন বিবর্ণ। কথা গুলো অর্থহীন প্রলাপ ... আচ্ছা প্রলাপ তো অর্থহীন ই হয়, তাই না? কিন্তু আমার যে আর কিছুই নেই... কিছু কল্পনা মেঘের কাছে জমা রেখে ছিলাম... একদিন মেঘ আমাকে কিছু না বলেই উড়ে গেল...আকাশের শেষ প্রান্তে... আমি দিগন্তের পর দিগন্ত ছুটে গেছি... আমার কল্পনার খোঁজে ... না পাইনি... ও তখন বৃষ্টি হয়ে..পাহাড়ের সাথে সন্ধি করে.. সমুদ্রের হয়ে গেছে... আমার তখন আর কিছুই নেই... হয়ত কিছু থাকতে নেই... আমি অন্যের আশ্রয়ে বেঁচে আছি এখন... অন্যের রঙে বিবর্ণ ছবি দেখি... এই নিয়ে আমার এই সাজানো বাড়ী..."

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র

আজকাল নির্জনতা স্থির হয়ে থাকে মুখোমুখি বারান্দায়
যাবতীয় অভিমান জমে থাকে

ধুলো মাখা ঘড়িতে,
ক্যাকটাসের টবে,
জল শূন্য একুরিয়ামে...
অক্ষর বিহীন সাদা পাতায়...

অথচ,
দুপুরে প্রতিটি রোদ একটা ঘ্রাণ শুকে নেবার জন্য
অপেক্ষায় থাকতো... সাথে আমাকেও অপেক্ষায় রাখত

সাদা ব্লাউজের অমীমাংসিত কৌতূহলের উপর
কখনো সবুজে, কখনো নীলে... কিংবা
গোলাপি সুতা জড়ানো থাকতো..

মাঝে মাঝে
ছায়া ছায়া মেঘদের কারণে
বিজ্ঞাপন বিরতি ঘটতো

চুলেতে বাতাস দুলতো...
দোলাত আমার দৃশ লোক

স্নানের জল হবার সাহস দেখাতাম না
... তবে
ভীষণ তোয়ালে হতে ইচ্ছে করতো

সমস্ত দেহ থেকে ঝিল মিল রোদের ভেতর
ওপারের  বারান্দায় ঝরে ঝরে পড়তো চিত্রনাট্য,

দাড়িয়ে দেখতাম
একটা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ।